রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১১

YOU

you are the only moon in my black sky.
you are the only dream in my lonely nights.
you are the only quotes in my poems.
you are the only light when i close my eyes.

সখা পাখি

সপ্নগুলো আজ ধূসর হয়ে
সাদাকালো রঙ্গে গেল রাঙিয়ে,
ডানাভাঙ্গা পাখি,নির্বাক হয়ে
সিঁড়ির ধাঁরে রইল পড়ে। 

ডানা ঝাপ্টানো অবুঝ পাখির
চিরনিদ্রার প্রহর গুনা,
ওপাড় থেকে সখা পাখির
আর্তনাদের শব্দ শুনা। 

সখা পাখি,
অবাক চেয়ে রয়
করার যে তার নেই কিছু,
সময়ের বাঁধ ডেঙ্গিয়ে
ছুটল সে মরনের পিছু।

রক্ত পাখি

চোষক শ্রেণীর চোষকের মত
আজ আমি রক্ত চুষী,
নীল রক্ত,লাল রক্ত
হাজারো রক্তের হিসেব কষি।

গা বেয়ে শুধু রক্ত ঝরে
রক্তের আজ মাখামাখি,
রক্ত দিয়ে স্বপ্ন সাজাই
হয়ে আজ রক্ত পাখি।

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১১

শুভ জন্মদিন!!!




কবিতাগুলো আজ বৃষ্টি হয়ে

ঝরবে তোমার তরে,
ছন্দগুলো পথ হারিয়ে
ডানা মেলবে-জোনাকি হয়ে।

প্রভাত-কিরণ দোয়াড় ভেঙ্গে
তোমার পাশে বসে,
আলতো করে হাত বোলাবে
মুচকি হাসি হেসে।

ঘুম হারা ঐ পাখিও আজ
ঘুমাবে রাত্রি ভর,
ঐ দুঃখিনী মার মুখেও আজ
ফুটবে হাসির বর।

শিশির ভেজা ঘাসগুলোও আজ
ভিজবে বৃষ্টি হয়ে,
রাতের আকাশ আলোকিত হবে
তোমার চাঁদনী হয়ে।

ভালবাসা আর সুখ নিয়ে
রঙ্গিন হোক,তোমার চিরদিন,
তোমার জন্য শুভকামনা
আজ তোমার শুভ জন্মদিন!!! 

বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১১

আধখানা সুখ

বিষণ্ণতায় উপচে পড়াআধখানা সুখ আমি
একটু পরশেই দুমড়ে যাই
শত হাসির অট্টালিকায়
পিপীলিকার ডানায় ভাসি
মরুর চরে হারিয়ে যাওয়া
এক ফুটো জল আনি।

এক বিন্দু জল আমি.........।।



অনেকের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এক  বিন্দু জল আমি,
শিশির ভেজা গাছের পাতায়
গড়িয়ে পড়বো জানি

রক্তিম সূর্য অস্ত যেখানে
সেখানে আমার শুরু,
ভয় পেয়ো না অহনিকা,
উপছে পড়া শ্রাবণবাঁধে
আধখানি বালি মাঝে 
আষাঢ় ঝড়ে সংকীর্ণ ধারে
আঁকড়ে ধরা খড়খুটো ন্যায়
তোমারে রেখেছি মন মাজারে

ঝড় শেষে মুচকি হেসে 
আলো যখন জাগাবে তোমায়
দূর আকাশ মাঝে
লুকিয়ে থাকা ধুমকেতু হয়ে
দেখবে তোমায় 
অনেকের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া 
এক বিন্দু জল আমি...
......।।

জীবন তরী.........(ক্ষণিকের আগুন্তুক,শশি হিমু,অনন্যা দাস,নওরিন শাহরিয়ার)


কাক ডাকা দুপুরে কিংবা চুপসে যাওয়া বিকেলে
বর্ণীল কালো মেঘে কিংবা দূর পাহড়ের দেশে
সকালের মিস্টি রোদে কিংবা পড়ন্ত বিকালে
নিঝুম রাতে অথবা সপ্ন দেখার শেষে
সন্ধ্যার রক্তিম গোধূলিতে কিংবা নবম কোন প্রহরে
ঝিঝি ডাকা নিঝুম রাতে কিংবা বাতিজ্বালা জোনাকির আলোতে
সাদা শেওলা ধরা চাদের গা বেয়ে ছপছপ করে চুইয়ে পড়া জোছনায়
অথবা কোন এক শুভ্র ভোরে কিংবা শীতের সকালের ধোঁয়াশা কুয়াশায়
জোড়া শালিকের প্রেমের বানে, একলা কাকের কর্কশ কুর্নিশে
দ্বিপ্রহরের পোয়াতি সূর্যের পিঠ ঝলসানো রোদে
একটু শান্তির খোঁজে বটের ছায়ায় কিংবা দৃষ্টি সীমানায় মেঠো পথের মায়ায়
আদ্রতা বিহীন পিচগলা রাস্তায়, ভিমড়ি দেয়া মরীচিকার আশায়
ছন্নছাড়া পায়ে এলোমেলো পথচলায় কিংবা ট্রাফিক সিগন্যালে সতর্কতায়
তোমায় ভেবে ভেবে
জীবন তরীর খেয়াই চেপে
যাচ্ছি আমি ভেসে ভেসে
যতদুর যাই তুমি রয়ে যাবে চেতনায়
শেষ হোক নাই হোক
শেষের সম্ভাবনায়,পুর্ন করো
তুমি এসে অপুর্নতার শেষে
আগলে ধরো হাত দুটি মোর,
হারাতে চাই তোমার চোখে...
মিছে সপ্নের জালগুলো আজ
কেন যেন সত্য লাগে...
কর্দমাক্ত মাটির মাঝে
স্বচ্ছ বালির খেলা ঘড়ে
ভুঙ্গুর ইচ্ছেগুলো মোর
হাতছানি দিয়ে-ডাকে
অতৃপ্ত আত্তার রোদনে
ঝিকমিকিয়ে বালি হাসে........
শীৎকার করে ফেলা পা মোর
হকচকিয়ে চমকে উঠে...
উপাড় হতে নিরুদ্দেশে
হুমড়ি খেয়ে স্তব্ধ শেষে।